Front Desk

Deposit Customers can be categorized as follows:

  1. Individual
  2. Joint
  3. Sole-Proprietorship
  4. Partnership
  5. Joint Stock Company:

(a) Private Limited Company

(b) Public Limited Company

6. Club, Society, School, College, University etc.

In all cases mentioned above, account opening procedure is to be followed the guidelines as per Money Laundering Prevention Act, 2002.

As per Money Laundering Prevention Act, 2002, the following instructions are to be followed:

  1. মানি লন্ডারিং প্রতিরোধি আইন ২০০২ এর ধারা ১৯(১)(ক) এ বণিত বিধান অনুযায়ী প্রত্যেক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের পরিচয়ের সঠিক ও পূর্নাঙ্গ তথ্য সংরক্ষণ করবে।হিসাবধারী গ্রাহক ব্যতীত অন্য কারো অনুরোধে অর্থ প্রেরণের জন্য কোন ড্রাফট/টিটি/এমটি ইস্যুর ক্ষেত্রেও অনুরোধকারী পক্ষের পূর্ণ নাম ও ঠিকানার সঠিক তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে।
  2. প্রতিটি হিসাবের লেনদেনের হালনাগাদ সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০২ এর ধারা ১৯(১)(ক) অনুযায়ী প্রত্যেক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান তাদের গ্রাহকের হিসাবের লেনদেন বন্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে হিসাব বন্ধ হওয়ার দিন হতে অন্যুন পাঁচ বৎসরকাল বিগত সময়ের লেনদেনের হিসাব সংরক্ষণ করবে। হিসাবধারী গ্রাহক ব্যতীত অন্য কারো অনুরোধে অর্থ প্রেরণের ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি প্রেরণের তারিখ হতে অন্যুন পাঁচ বৎসরকাল সংরক্ষণ করবে।
  3. মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০২ এর ধারা ১৯ এর যথাযথ পরিপালনার্থে প্রত্যেক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান একজন উর্দ্ধতন কর্মকর্তার নেতৃত্বে প্রধান কার্যালয়ে একটি ‘কেন্দ্রীয় পরিপালন ইউনিট’ (Central Compliance Unit) এবং শাখা পর্যায়ে পরিপালন কর্মকর্তা মনোনয়নের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ পরিবীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করবে। ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান উহার কেন্দ্রীয় পরিপালন ইউনিটের কর্মপরিধি ও কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানিক কৌশল (Strategy) ও কার্যসুচী(Program) নির্ধারণ করবে।
  4. অস্বাভাবিক লেনদেন সনাক্তকরণ ও পরিবীক্ষণ করার উদ্দেশ্যে প্রত্যেক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান গ্রাহকের হিসাবের সম্ভাব্য লেনদেনের অনুমতি মাত্র(Transaction Profile) সম্পর্কে গ্রাহকের ঘোষণা সংগ্রহ করবে।
  5. দৈনন্দিন লেনদেন কার্যক্রমে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মকর্তা অস্বাভাবিক/সন্দেহজনক লেনদেন সনাক্তকরণে সচেতন ও সতর্ক থাকবেন এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০২ এর ধারা ১৯(১)(গ) মোতাবেক মানি লন্ডারিং এর সহিত সংশ্লিষ্ট থাকতে পারে এরূপ অস্বাভাবিক/ সন্দেহভাজন লেনদেন সনাক্ত হবার সাথে সাথে শাখার মনোনীত পরিপালন কর্মকর্তার নিকট ছকে লিখিতভাবে রিপোর্ট করবেন।
  6. অস্বাভাবিক/ সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্টকৃত হওয়ার বিষয়ে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোন কর্মকর্তা কোন পর্যায়েই গ্রাহক বা অন্য ব্যক্তির নিকট কোন তথ্য ফাঁস করবেন না, যাতে তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত বা বিরূপভাবে প্রভাবিত হইতে পারে।
  7. মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০২ এর যথাযথ পরিপালন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রত্যেক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান তাহাদের কর্মকর্তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দানের ব্যবস্থা করবে।

(ক) ব্যক্তিগত হিসাব:

(১) নাম (২) বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা (৩) জন্ম তারিখ, বয়স

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০২ এর ধারা ৫(১) অনুযায়ী এই আইনের অধীনে কোন অপরাধ বা সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে তদন্ত করিতে কোন ব্যক্তি/ সংস্থাকে বাংলাদেশ ব্যাংক ক্ষমতা প্রদান করিতে পারে।

করেসপন্ডেন্ট ব্যাংক সম্পর্কে যে সমস্ত তথ্য সংগ্রহীত হবে তাতে ঐ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা, মূল ব্যবসায়িক কাযর্ক্রম, অবস্থান, এর মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ কাযর্ক্রম, সংশ্লিষ্ট দেশের ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ ‍ও তদারকী ব্যবস্থা, হিসাব খুলবার উদ্দেশ্য ইত্যাদি বিস্তারিতভাবে অন্তর্ভূক্ত থাকবে।

কোন Shell Bank এর সাথে ব্যাংকসমূহ করেসপন্ডেন্ট ব্যাংকিং সম্পর্ক স্থাপন করবে না বা বজায় রাখবে না । [Shell Bank বলতে ঐসব ব্যাংককে বোঝানো হয়েছে যাদের যে দেশে ইনকরোরেটেড সেইদেশে কোন শাখা/কার্যক্রম নেই এবং কোন নিয়ন্ত্রিতির আর্থিকগ্রুপ (Regulated Financial Group)এর আওতাভূক্ত না]

করেসপন্ডেট ব্যাংকিং:

যেইসব দেশ/অঞ্চল মানি লন্ডারিং প্রতিরোধের আন্তর্জাতিক মান পূরণ করে নাই (যেমন ফাইন্যান্সিয়াল একশন টাস্কফোর্স এর নন-কোঅপারেটিং কান্ট্রিজ এন্ড টেরিটরিজ তালিকাভূক্ত দেশ/অঞ্চল) সেইসব দেশের ব্যাংকের সাথে করেসপন্ডেট ব্যাংকিং সম্পর্ক বজায় রাখার ব্যাপারে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এই সকল ক্ষেত্রে Enhanced Due Diligence এর প্রয়োজন হবে। এইসব ব্যাংকের Beneficial Ownership এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে তাদের নীতি ও পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।

নগদ লেনদেন রিপোর্ট (CTR) দাখিলকরণ প্রসঙ্গে :

প্রতিটি ব্যাংক শাখার দৈনন্দিন লেনদেন পর্যালোচনা করে কোন একটি হিসাবে ৳১০,০০,০০০.০০ (দশ লক্ষ)টাকা এর বেশী পরিমাণ নগদ জমা বা উত্তোলনের ক্ষেত্রে ‘নগদ লেনদনে রিপোর্ট (CTR) এর আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংককে অবহিত করতে হবে। কোন হিসাবে একদিনের একাধিক নগদ জমার যোগফল উক্ত অংকের (দশ লক্ষ) অধিক হলে কিংবা একদিনের একাধিক নগদ উত্তোল এর যোগফল উক্ত অংকের (দশ লক্ষ) অধিক হলে জমা ও উত্তোলনের জন্যে পৃথকভাবে রিপোর্ট করতে হবে। তাছাড়া একদিনে এক বা একাধিক ক্যাশ রেমিটেন্স বা অনলাইন জমা দ্বারা কোন একটি নির্দিষ্ট হিসাবে উক্ত পরিমান (দশ লক্ষ)টাকা পাঠানো হলে এ নির্দেশনার আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকে রিপোর্ট করতে হবে।

এরূপ বিবরণী মাসিক ভিত্তিতে প্রদেয় হবে। সে মোতাবেক প্রতি মাসের নগদ লেনদেন বিবরণী (Cash Transaction Report) পরবর্তী মাসের ২১ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক এর নিকট অবশ্যই জমা দিতে হবে। উল্লেখ্য, সময়মতো প্রতিবেদন দাখিল করার বিষয়ে সচেতন থাকার জন্যে সশ্লিষ্ট সকলকে পরামর্শ প্রদান কর হচ্ছে। এ বিষয়ে কোনরূপ নগদ লেনদেন রিপোর্ট দাখিল করণ প্রসঙ্গে অপারগতা/ গাফলতির জন্যে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০০২ এর ১৯(৪) ধারা অনুসারে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের উপর জরিমানা আরোপ করা যেতে পারে।

  • অস্বাভাবিক/ সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্টং একটি সম্পূর্ণ পৃথক ব্যবস্থা এবং পারস্পরিক  সম্পর্কহীন।
  • সরকারী হিসাব বা সরকারী মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানসমূহের হিসাবে নগদ জমার ক্ষেত্রে (পরিমান নির্বশেষে) রিপোর্ট করার প্রয়োজন নেই।
  • নগদ লেনদেন সক্রান্ত রিপোর্ট অবশ্যই সফৃট কপিতে করতে হবে। 

Money Laundering and Terrorist Financing Risk Assessment Guidelines for Banking Sector 2015

Enhanced by Zemanta
Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s